ভারতের উজ্জ্বল নক্ষত্র মাননীয় গোপাল চন্দ্র মুখার্জী

26th April 2021 11:24 am প্রবন্ধ
ভারতের উজ্জ্বল নক্ষত্র মাননীয় গোপাল চন্দ্র মুখার্জী


💐 " দ্য রিয়েল স্টার "গোপাল চন্দ্র মুখার্জী " 💐

💐💐💐

বর্তমান যুগে সাহিত্য সাধনা ও সমাজসেবার "প্রাণ পুরুষ" শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখার্জী।

*****

"The Real Star - Gopal Chandra Mukherjee"

by :- TARIF ALAM, 24/4/2021

*****

" সংক্ষিপ্ত পরিচিতি "

*****

১) নাম - শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখার্জী

২) পিতার নাম - স্বর্গীয় জিতেশ চন্দ্র মুখার্জী

৩) মাতার নাম - গৌরী মুখার্জী

৪) জন্ম তারিখ - 02/06/1954

৫) জন্ম স্থান - পশ্চিমবঙ্গ , ভারত

৬) মাতৃভাষা - বাংলা

৭) শিক্ষা - স্বাক্ষর ( ওনার মতানুযায়ী )

৮) অন্যান্য ভাষায় জ্ঞান - হিন্দী এবং ইংরেজী

৯) রাজনীতিতে রুচী - নেই

১০) ধার্মিক বিচার - সর্ব ধর্মে সম্মান

*****

শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখার্জী সম্পর্কে জ্ঞাতব্য তথ্যাদি ( সংক্ষেপে ) :-

আমাদের দেশ ভারতবর্ষ একটি মহান দেশ। আর এই মহানতার পেছনে রয়েছে এমন কিছু মানুষ ,যাঁরা নিজেদের জীবনকে অসহায় এবং সাধারন মানুষের কল্যানের স্বার্থে নিয়োজিত করেছেন - তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন মাননীয় গোপাল চন্দ্র মুখার্জী মহাশয়। 2004 সাল থেকে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে সমাজসেবা মূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত করে ফেলেন " রাজকিশোর নগর সমন্বয় সমিতি " নামে একটি অরাজনৈতিক সংস্থা স্থাপন করার মধ্যে দিয়ে। অত্রাবধি তিনি এই সমিতির প্রেসিডেন্ট। এই অঞ্চলে সরকারী হাই স্কুল , প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র (২ টো), ফ্রী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা কেন্দ্র , গ্রন্থাগার এসব স্থাপন করেন। কর্মসূত্রে তিনি প্রায় 42 বৎসরের বেশী সময় বাংলার বাইরে রয়েছেন। বিলাসপুর পূর্বে মধ্যপ্রদেশ ছিল বর্তমানে ছত্তিশগড়। তবুও তিনি বাংলাভাষাকে ভুলে যান নি। বাংলাতে কবিতা , গল্প অজস্র লিখে চলেছেন। সাহিত্য চর্চা এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নের কাজে তাঁর সক্রিয় অবদানের জন্য তিনি এই সকল সম্মান পেয়েছেন --

( সংগ্রহ কাল পর্যন্ত ) :-

 

১) "ছত্তিশগড় সাহিত্য দর্পণ" সংস্থা থেকে "সাহিত্য শ্ৰী" সম্মান প্রাপ্ত।

 

২) এছাড়াও প্রায় প্রত্যহই দেশ - বিদেশের বিভিন্ন প্রখ্যাত সাহিত্যিক সংস্থা থেকে ওনার লেখা কবিতা এবং বিবিধ বিষয়ে রচনার জন্য অভিনন্দিত হয়ে প্রশ্নসাপত্র পাচ্ছেন।

 

৩) " ছত্তিশগড় শাসন " দ্বারা 26/01/2016 গণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে " উৎকৃষ্ট সমাজ সেবার জন্য " প্রশস্তিপত্র এবং সম্মাননা প্রদান।

 

৪) ছত্তিশগড় স্টেট এডভাইজারী কমিটির মেম্বারও তিনি ( বিদ্যুৎ বিনিয়ামক আয়োগ) (C.G. State Electricity Regulatory Commission ).

ভারতের প্রথম স্টেট ছত্তিশগড় , যেখানে সর্বপ্রথম বিদ্যুৎ মিটারের রেন্টকে নি :শুল্ক , প্রত্যেক বিদ্যুৎ উপভোক্তাকে বিদ্যুৎ বিভাগে জমা টাকার (SD) উপর প্রত্যেক বছর ইন্টারেস্ট দেওয়ানোর ব্যবস্থা করে দেন তিনিই। এছাড়াও , মাসিক বিদ্যুৎ বিলের সরলীকরণ , উপভোক্তাদের বিদ্যুৎ পরিসেবা নির্বাধ রাখার জন্য ফিউজকল সেন্টারের সংস্থাপন , বিদ্যুৎ বিলের পেমেন্ট করার জন্য এটীপী মেশিনের সর্বত্র স্থাপনা। এছাড়াও অনেকানেক বিদ্যুৎ উপভোক্তা এবং রাজ্যের উপকারের জন্য সরল নিয়মের প্রবর্তন করা ইত্যাদি কার্য্যের জন্য তাঁকে ছত্তিশগড় রাজ্য বিদ্যুৎ বিনিয়ামক আয়োগ থেকে " প্রশস্তি পত্র " প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

 

৫) সমাজসেবার কাজের জন্য সমর্পিত শ্রীমান , নিজের এলাকায় স্টেট ব্যাংকের শাখা , এলাকার নামে উপ ডাকঘর , জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সুবিধার জন্য সম্ভাগের সমস্ত সঞ্চালিত উপ ডাকঘরে টেলিফোনের ব্যবস্থা করা এবং ঐ টেলিফোনের নম্বর সার্বজনীনভাবে প্রচার করা। রাস্তা ,নালী ,স্ট্রীট লাইট , নাগরিক হিতার্থে বিভিন্ন সুবিধা ইত্যাদির ব্যবস্থা করানো , সম্পূর্ণ রাজ্যে লিজরেন্টের সমাপন করানো ,নাগরিক হিতার্থে কর আদির সরলীকরণ।

এরকম অনেকানেক উল্লেখ জনক কাজ আছে - যেগুলো এই অল্প পরিসরে বর্নণা করা সম্ভব নয়।

 

৬) ১৪/০১/২০১৯ এ উৎকৃষ্ট সমাজসেবা মূলক কাজের জন্য " রাষ্ট্রীয় ব্যাপার মেলা " তে ওনাকে "ছত্তিশগড় রত্ন" সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

 

৭) জাতীয় কবি পরিষদ ,ঢাকা ,বাংলাদেশ ,ওনাকে ভারতের প্রতিনিধি এবং পরিচালক সদস্য এবং পরিষদের উপদেষ্টা ঘোষণা করেন।

 

৮) গত ২৫/০৮/২০১৯ এ "ইন্দ্রপ্রস্থ এডুকেশনাল রিসার্চ এন্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট " দিল্লী দ্বারা পাটনা , বিহারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্রীমানকে লেখন এবং সামাজিক ক্ষেত্রতে উৎকৃষ্ট কাজের জন্য " ইন্ডিয়াজ রাইসিং স্টার 2019 " এর সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

 

৯) 29 সেপ্টেম্বর 2019 শে ভারত চন্দ্র গ্রন্থাগার , শ্যাম নগরে বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য পরিষদ দ্বারা আয়োজিত " সনৎ কুমার বসু স্মৃতি সাহিত্য প্রতিযোগিতা '19 " অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত এবং সাহিত্য সেবার জন্য সম্মানিত।

 

১০) সারা জীবন অবিবাহিত থেকে তিনি সমাজসেবা ও সাহিত্য সাধনায় নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন । তাই তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বেলদা সাহিত্য সম্মেলনে লোককবি এনামুল আলি খান এর স্মৃতিতে দেওয়া হয় " সাহিত্য রত্ন " এবং " সাহিত্য বন্ধু " সম্মান ।

 

১১) 29 ডিসেম্বর 2019 শে পশ্চিবঙ্গের সৈকতটতে

দীঘাতে " বঙ্গপ্রদেশ : বঙ্গবন্ধু সাহিত্য সম্মেলনে

"বঙ্গপ্রদেশ - বঙ্গবন্ধু সম্মান " (ভারত - বাংলাদেশ : কবি - সাহিত্যিক - সাংবাদিক মৈত্রী বন্ধন )। আয়োজক :- " ওয়েষ্ট বেঙ্গল রুরাল নিউজ পেপার ওনার এন্ড এমপ্লয়িজ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এন্ড বেঙ্গল জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট "।

সহযোগিতায় :- " বঙ্গবন্ধু রিসার্চ এন্ড কালচারাল ফাউন্ডেশন "।

 

১২) গত 20শে ডিসেম্বর 2020 তে " ওয়ার্ল্ড বুক অফ স্টার রেকর্ডস " এবং "আত্মনির্ভর ভারত" , "আয়ুষ্মান মন্ত্রালয়" , "বৈকল্পিক চিকিৎসা পদ্ধতি " সংস্থা দ্বারা আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী উৎসবে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরে উৎকৃষ্ট সমাজসেবা এবং উল্লেখনীয় লেখনী কার্যের জন্য তাঁকে "রাষ্ট্র প্রেরণা 2020" সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

 

১৩) এনার বিভিন্ন প্রকারের সমাজসেবা মূলক কাজ এবং উল্লেখনীয় লেখনী কার্যের জন্য " ওয়ার্ল্ড বুক অফ স্টার রেকর্ডস" এ নাম নথিভুক্ত করে সংস্থা দ্বারা সম্মানিত করা হয় গত 20/12/2020 তে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর শহরে হোটেল ম্যারিওট এ।

 

১৪) গত 21/12/2020 তে বর্তমান বিশ্বের সর্বাধিক প্রসারিত হিন্দী পোর্টালের অন্যতম বৃহৎ পোর্টাল " হিন্দীভাষা ডট কম " , যার পাঠকের সংখ্যা 92 লক্ষেরও বেশী , উক্ত সংস্থা দ্বারা বিশ্বস্তরে আয়োজিত লেখনী প্রতিযোগিতায় "প্রথম স্থান" প্রাপ্তি এবং লাগাতার বর্ষভর শ্রেষ্ঠ লেখনীর সম্মান পাওয়ার জন্য তাঁকে সংস্থা দ্বারা বিশেষ "সম্মানপত্র"

" ( মোট 15 টি ঐ সময় পর্যন্ত ) এবং ট্রফি আদি প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।

 

১৫) শ্রী গোপাল চন্দ্র মুখার্জীকে " বৈকল্পিক চিকিৎসা পদ্ধতি" সংস্থা থেকে আজীবন সদস্যতা প্রদান করে সম্মান জানানো হয়। গত 20/12/2020 তে।

 

১৬) গত 18/4/2021 এ " ওয়ার্ল্ড বুক অফ স্টার রেকর্ডস ইউ . এস ." এবং আত্মনির্ভর ভারত , বৈকল্পিক চিকিৎসা পদ্ধতি আয়ুষ্মান মন্ত্রালয় " দ্বারা শ্রীনগর - কাশ্মীরে " বিশ্ব শান্তি সম্মেলন 2021 " এর আয়োজিত সম্মেলনে শ্রীমানকে "লেখন এবং সমাজ সেবা " র ক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট কাজের জন্য " গ্লোবাল শান্তি সম্মান 2021 " এর সম্মানে সম্মানিত করা হয়।

 

১৭) গত 18/4/2021 এ " ওয়ার্ল্ড বুক অফ স্টার রেকর্ডস ইউ . এস ." এবং আত্মনির্ভর ভারত , বৈকল্পিক চিকিৎসা পদ্ধতি আয়ুষ্মান মন্ত্রালয় " দ্বারা শ্রীনগর - কাশ্মীরে " বিশ্ব শান্তি সম্মেলন 2021 " এর আয়োজিত সম্মেলনে কানাডার নিযুক্ত প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিখ্যাত " ব্ৰম্পটন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি "/ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার শ্রীমানকে " সমাজ সেবা" র ( Social Services) ক্ষেত্রে উৎকৃষ্ট অবদানের জন্য " ডক্টরেট " " (Honorary Doctorate) " এর সম্মানে সম্মানিত করেন।

 

তাঁর মত মহান মানুষ আমাদের ভরতে নেই বললেই চলে । এনার সুদীর্ঘ সুস্থ জীবনের কামনা করি।

💐💐💐

MOST POPULAR

Copyright © 2020 - TARIF TV

-------





Others News

লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক

লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক


প্রবন্ধ :-  "লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক" 
লেখক :-  ডঃ .গোপাল চন্দ্র মুখার্জী
                         ***
     "জন্মদিন উপলক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ "
                             * 
   " স্বরাজ আমার জন্মসিদ্ধ অধিকার, যেটা আমি নিয়েই ছাড়ব।"  পরাধীন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সিংহের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম গর্জে উঠেছিলেন এক নির্ভিক ভারতীয় সিংহ,যিনি একাধারে বিদ্বান, অর্থলোভমুক্ত, ত্যাগী, সমাজ সংস্কারক, সাংবাদিক এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী, হিন্দু রাষ্ট্রবাদের জনক, লোকসেবক শক্তিমান পুরুষ, যাঁকে সর্বলোকে সম্মানের সঙ্গে  "লোকমান্য" বলে সম্বোধন করে, তিনি হলেন বাল গঙ্গাধর তিলক (আসল নাম কেশব গঙ্গাধর তিলক, বিবাহের পরে ওনার স্ত্রীর বংশানুসারে " কেশব গঙ্গাধর "  নামের পরিবর্তিত হয়ে "বাল গঙ্গাধর তিলক" নামে পরিচিত হলেন)। মহারাষ্ট্রের  চিক্কন গ্রামে ২৩/০৭/১৮৫৬  সালে ওনার জন্ম হয় এবং ০১/০৮/১৯২০ সালে বোম্বাই এ বর্তমানে ( মুম্বাই) ওনার দেহত্যাগ হয়।  
        ডীকান কলেজ থেকে বি.এ.পাস করার পরে উনি গভর্নমেন্ট " ল " কলেজ ( ইউনিভার্সিটী অফ বোম্বাই (মুম্বাই) থেকে  "ল" পাস করেন, কিন্তু, অর্থ লোভমুক্ত বাল গঙ্গাধর তিলক, যিনি , নিজেকে সমাজ  কল্যাণে সমর্পিত করেছেন, তিনি " ল " পাস করেও আদালতে ওকালতি না করে শিক্ষার প্ৰসারের জন্য স্কুলে শিক্ষকের চাকুরীতে যোগ দিলেন এবং ১৮৮০ সালে স্থাপনা করলেন " ন্যু ইংলীশ স্কুলের" । কিছু বছর পরে স্থাপনা করলেন    " ফারগুইজন " কলেজের। বিদ্বান, ত্যাগী,  সরল,  নিঃস্বার্থ পরোপকারে এবং সমাজের কল্যাণ সাধনে সমর্পিত নিরলস নির্ভিক স্বাধীনতা সংগ্রামী বাল গঙ্গাধর তিলক মহাশয়কে মহারাষ্টের লোকে সম্মানের সঙ্গে  "লোকমান্য" নামে সম্বোধন করতে আরম্ভ করল। সেই থেকে উনি "লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক" নামে ভারতে তথা  বিশ্বে পরিচিত হলেন। অসাধারণ সাংগঠনিক কর্মদক্ষতা ছিল লোকমান্যের! স্বাধীনতার জন্য চলছে আন্দোলন কে তীব্র করার জন্য জনমত এবং  জনচেতনাকে জাগিয়ে তুলে সংবাদ আদান প্রদানের পথ সুগম করার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রচলিত করেছিলেন " গনেশ উৎসব" এর । 
  ভারতে ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র জনান্দোলন এবং আলোচনা করার জন্য ইংরেজ সরকার ওনার উপর রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ লাগিয়ে ৬ বছরের জন্য দেশের বাইরে করার আদেশ দিয়ে বর্মার মান্ডালে জেলে পাঠিয়ে দিল,  কিন্তু, কর্মতৎপর লোকমান্য তিলক মহাশয় জেলে বন্দী অবস্থায় রচনা করেছিলেন " গীতা রহস্য " এর। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরে যখন উনি "গীতা রহস্য" এর প্রকাশণ করেছিলেন তখন ভীষণ জন আলোরণ তৈরী হয় সম্পূর্ণ দেশে। 
     নির্ভিক সাংবাদিক লোকমান্য তিলক দুটি সংবাদ পত্রের প্রকাশণ করেছিলেন - একটি ইংরাজীতে       " মারাঠা"  নামে এবং অপরটি মারাঠী ভাষায় "দৈনিক কেশরী" নামে। প্রকাশিত সংবাদপত্র গুলির মাধ্যমে লোকমান্য তীব্রভাবে ইংরেজ শাসনের নিন্দা এবং সমালোচনা শুরু করেছিলেন, যার জন্য ওনাকে প্রায়ই জেলে যেতে হত। স্বায়ত্ব বা সুশাসনের দাবী তুলে আন্দোলন চালিয়ে ১৯১৬ - ১৮ সালে  গঠণ করলেন "অল ইন্ডিয়া রূল লীগের"। ক্রান্তিকারী আন্দোলনের সমর্থক তিলক সম্পূর্ণভাবে গান্ধীজীর অসহযোগ অন্দোলনকে মেনে নিতে পারেননি। লালা লাজপত রায়, বিপিন চন্দ্র পাল, অরবিন্দ ঘোষ, এনী বসন্ত, মহম্মদ আলী জীন্নাহ  ইত্যাদি মহান ব্যাক্তিত্বের সংযুক্ত আন্দোলনে বিচলিত হয়েছিল ইংরেজ প্রশাসন। সম্পূর্ণ ভারতে তখনকার দিনের একটা বহুল প্রচলিত শ্লোগান ছিল "লাল বাল পাল "। বিখ্যাত তিন মহান ব্যাক্তিত্ব !
  ভারত মায়ের মহান সন্তান লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক। ওনার নাম আজ ও স্বাধীন ভারতবাসী শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে । 
  লোকমান্য বাল গঙ্গাধর তিলক মহাশয়ের শ্রীচরনে জানাই আমার ভক্তিপূর্ণ প্রণাম ।