গরমের ছুটি মাত্র ১১ দিন কেন - রাগে ফুঁসছে শিক্ষকরা

12th December 2021 10:14 am সংবাদ
গরমের ছুটি মাত্র ১১ দিন কেন - রাগে ফুঁসছে শিক্ষকরা


News: মধ্যশিক্ষা পর্ষদ তাদের ‘মডেল হলিডে লিস্টে’ গ্রীষ্মের ছুটি কমিয়ে দিল। শুক্রবার এই তালিকা প্রকাশের পরে দেখা গিয়েছে, গ্রীষ্মাবকাশ মাত্র ১১ দিনের। অন্যদিকে, পুজোর ছুটি দেওয়া হয়েছে ২৪ দিন। শিক্ষকরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।
কী বলছেন শিক্ষকরা? মোট ৬৫ দিন ছুটি অপরিবর্তিতই রয়েছে। তার সঙ্গে যুক্ত হবে ৫২ দিন রবিবারের ছুটি। তাছাড়া, পরীক্ষার জন্য দীর্ঘদিন পঠনপাঠন বন্ধ থাকে। গ্রীষ্মাবকাশ কমালে সিলেবাস শেষ করতে আপাতদৃষ্টিতে সুবিধা হওয়ারই কথা। তবে, তা সম্ভব নয়। আগামী বছর গ্রীষ্মের পরিস্থিতি কেমন থাকবে, তা আগাম বোঝা মুশকিল। দাবদাহের কারণে ছুটি অন্যবছরের মতো বাড়তেই পারে। তাহলে মোট ছুটিও বেড়ে যাবে। অথচ, পুজোর ছুটি ১৮দিন রেখে দিয়ে সেই বাড়তি ছুটি গরমের সময় দেওয়া যেত। তাহলে গ্রীষ্মাবকাশ বাড়ানোরও প্রয়োজন পড়ত না। বরং পুজোর সময় আবহাওয়া অনুকূল থাকে। পুজো কেটে গেলে আর তেমন করার কিছু থাকে না। সেই সময় বাড়তি ক্লাস নিয়ে সিলেবাস এগিয়ে নেওয়া যায়। প্রধান শিক্ষক সংগঠনের নেতা চন্দন মাইতি বলেন, এপ্রিল থেকেই গরমের অস্বস্তি শুরু হয়ে যায়। সেখানে ২৪ মে পর্যন্ত টানা স্কুল করানোর সিদ্ধান্ত সঠিক কি না ভেবে দেখতে অনুরোধ করব পর্ষদকে। সরস্বতী পুজোর আগের দিনই সমস্ত প্রস্তুতি থাকে। পুজো শনিবার থাকায় শুক্রবার ছুটি দেওয়া হয়েছে। তার কারণও বুঝতে পারছি না।





Others News

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ


 

News: পুরুলিয়ার পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরীর নিয়োগে উঠল চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ । অনেকের কাজ করার কোন অভিজ্ঞতা লাইব্রেরীতে নেই , কিন্তু ভুয়া অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি পেয়েছে বলে অভিযোগ । এছাড়া ফল প্রকাশে ভাগ ভাগ করে নাম্বার দেওয়া হয় নি , অর্থাৎ লেখা পরীক্ষা, কম্পিউটার টেস্ট ,ইন্টারভিউ – কে কত পেয়েছে তা জানানো হয় নি আলাদা ভাবে ।এক কর্মকর্তা নিজের আত্মীয়কে অন্য জেলা থেকে ডেকে এনে এখানে চাকরি দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।এছাড়া সব জেলায় লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ হলেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নিয়োগে জেলার ছেলেদের অগ্রাধিকার না দিয়ে সব অন্য জেলার ছেলে মেয়েদের  নিয়োগ করার গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।

ইন্টারভিউ দিতে গেলে অনেক কে নতুন নতুন সার্টিফিকেট চাওয়া হয় , কিন্তু সে গুলো আনাতে বলা হয় নি আগে , সেই কারনে নাম্বার না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।

অভিযোগকারিগন জানান তারা ডি এম এর কাছে ডেপুটেশান দেবেন এবং হাইকোর্টে কেস করবেন ।