News: দক্ষিণ দিনাজপুরের রামপুর গ্রামের মিঠুন দাস জানান, তাঁদের সামান্য কিছু চাষের জমি আছে। তিনি তাতেই মনোনিবেশ করেছেন। মিঠুন বলেন, “পরীক্ষায় বসেছিলাম ২০১৫ সালের ১৬ অগস্ট। ফল বেরোয় ২০১৬-র ১৪ সেপ্টেম্বর। স্বপ্ন দেখেছিলাম, ইন্টারভিউ দিলে শিক্ষকতার কাজ পাব। বাড়িতে সচ্ছলতা আসবে। কিন্তু তখন কি জানতাম, এই নিয়োগ প্রক্রিয়াই শেষ হবে না?” মিঠুন জানান, ইন্টারভিউয়ের পরে মেধা-তালিকায় তাঁর নাম উঠেছিল ২০১৯ সালের ৪ অক্টোবর। সেই তালিকা ঘিরে অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওঠায় মামলা হয়। দীর্ঘ শুনানির পরে ২০২০-র ১১ ডিসেম্বর সেই তালিকা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল হয়ে যায়। ফের ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে ২০২১-র ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে বলে আদালত। সেই নিয়োগ প্রক্রিয়াও শেষ হয়নি। মিঠুন বলেন, “প্যানেল বাতিল হওয়ায় ভেরিফিকেশন হল। কিন্তু এ বার আর ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পেলাম না। এসএসসি জানাল, আমার সব নথি আপলোড করা হয়নি। ফের নথি আপলোড করলাম। এসএসসি জানাল, আমার মতো যাঁরা দ্বিতীয় দফায় ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পাননি, তাঁদের অভিযোগ শোনার জন্য শুনানি হবে। সেই শুনানি পর্ব চলছে। ডিসেম্বরেই আমার শুনানি। এর শেষ কোথায়, কে জানে!”
এক এসএসসি-কর্তা বলেন, ‘‘উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে আমরা আন্তরিক ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছি। উচ্চ প্রাথমিকে প্রার্থীদের মধ্যে যাঁদের শুনানি চলছিল, তাঁদের শুনানি এই মাসেই শেষ হবে। আমরা তাঁদের নথিপত্র আদালতে জমা দেব। তার পরে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’