মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করলো মোদী

17th December 2021 10:41 am সংবাদ
মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করলো মোদী


News: কুড়িতেই বুড়ি! সমাজে হামেশা এই কথা শুনতে হয় মেয়েদের। বয়স কুড়ির কোঠায় পৌঁছতেই আসে বিয়ের চাপ। আর নয়! বিয়ের ন্যূনতম বয়সে লিঙ্গের ভেদাভেদ এবার তুলে দিচ্ছে কেন্দ্র। ১৮ নয়, ২১ বছরেই আইনিভাবে জীবনসঙ্গী বেছে নিতে পারবেন মেয়েরা। মঙ্গলবারই প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।
মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স কত হওয়া উচিত? এব্যাপারে আলাপ আলোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। গত বছরই এই ইস্যুতে টাস্ক ফোর্স গঠন করেছিল নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রক। লকডাউনের পর স্বাধীনতা দিবসে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণেও ছিল ইঙ্গিত। অবশেষে দেড় বছর বাদে মিলল ছাড়পত্র। এবার প্রস্তাবটি বিল আকারে পেশ হবে সংসদে। সেখানে পাশ হয়ে গেলেই ঘুচবে মান্ধাতার আমল থেকে চলে আসা ছেলে ও মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়সের ফারাক। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করতে আপাতত চাইল্ড ম্যারেজ প্রোহিবিশন অ্যাক্ট, স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট এবং হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্টে পরিবর্তনকেই পাখির চোখ করেছে মোদি সরকার। 
বর্তমান আইন অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়স হলেই সাত পাকে বাঁধা পড়তে পারেন মেয়েরা। আর ছেলেদের ক্ষেত্রে সেটা ২১। ২০২০ সালে স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রথমবার এই বিষয়ে মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী। জানান, ভারতে কন্যাসন্তানদের অপুষ্টিজনিত রোগ ও মৃত্যুর হার বিপজ্জনক। কম বয়সে বিয়ের কারণেই অপুষ্টিজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর প্রবণতা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। তাই কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে, ১৮ বছর থেকে বাড়িয়ে দেওয়া হোক মেয়েদের বিবাহযোগ্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স। সেবছর জুলাই মাসেই এই বিষয়ে জয়া জেটলির নেতৃত্বাধীন নীতি আয়োগের টাস্ক ফোর্স তৈরি করে কেন্দ্র। সেখানে ভি কে পলের মতো বিশেষজ্ঞের পাশাপাশি রাখা হয় স্বাস্থ্য, নারী ও শিশুকল্যাণ এবং আইন মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকদের। সে প্রসঙ্গে মোদি আরও বলেছিলেন, ‘আমার কাছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মহিলারা জানতে চাইছেন, এই বিষয়টি নিয়ে কবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে? আমি প্রত্যেককে আশ্বস্ত করছি, কমিটি রিপোর্ট প্রদান করার পর খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আশা করা হচ্ছে, শীতকালীন অধিবেশনেই এই সংশোধনী বিল সম্ভবত নিয়ে আসবে সরকার।’ ওই টাস্ক ফোর্সই মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর করার পক্ষে মত দিয়েছে।





Others News

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ

পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরির নিয়োগে চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ


 

News: পুরুলিয়ার পর এবার পশ্চিম মেদিনীপুর পাবলিক লাইব্রেরীর নিয়োগে উঠল চরম দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ এর অভিযোগ । অনেকের কাজ করার কোন অভিজ্ঞতা লাইব্রেরীতে নেই , কিন্তু ভুয়া অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি পেয়েছে বলে অভিযোগ । এছাড়া ফল প্রকাশে ভাগ ভাগ করে নাম্বার দেওয়া হয় নি , অর্থাৎ লেখা পরীক্ষা, কম্পিউটার টেস্ট ,ইন্টারভিউ – কে কত পেয়েছে তা জানানো হয় নি আলাদা ভাবে ।এক কর্মকর্তা নিজের আত্মীয়কে অন্য জেলা থেকে ডেকে এনে এখানে চাকরি দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।এছাড়া সব জেলায় লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ হলেও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার নিয়োগে জেলার ছেলেদের অগ্রাধিকার না দিয়ে সব অন্য জেলার ছেলে মেয়েদের  নিয়োগ করার গুরুতর অভিযোগ উঠছে ।

ইন্টারভিউ দিতে গেলে অনেক কে নতুন নতুন সার্টিফিকেট চাওয়া হয় , কিন্তু সে গুলো আনাতে বলা হয় নি আগে , সেই কারনে নাম্বার না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ।

অভিযোগকারিগন জানান তারা ডি এম এর কাছে ডেপুটেশান দেবেন এবং হাইকোর্টে কেস করবেন ।